বায়আতের বিধান (মূর্খ ফকীরদের উক্তি)
প্রশ্ন
প্রশ্ন: বায়আত হওয়ার শর্তগুলো কী এবং কেমন ব্যক্তির কাছে বায়আত হওয়া উচিত? কিছু লোক বলে, যে বায়আত ছাড়া মারা যাবে তার জন্য শাফাআত হবে না এবং শরীয়ত ও তরীকতের সম্পর্ক আলাদা আলাদা; এটিও কিছু মূর্খ ফকীরই বলে। আরও বলে: “আল্লাহর মধ্যে ফকীর আর ফকীরের মধ্যে আল্লাহ”?
উত্তর
মূর্খ ফকীরদের এই উক্তি ইলহাদ (নাস্তিকতা) ও যিন্দীকী। শরীয়ত ও তরীকতের সম্পর্ক আলাদা—এ কথার অর্থই বা কী? বায়আত হওয়ার জন্য পীরের প্রয়োজন আছে; এর শর্তগুলো “ইমদাদুস সালিকীন”, “আল-কাউলুল জামীল” [ও] “আত-তাকাশশুফ”-এ দেখুন—এই সংক্ষিপ্ত স্থানে তা ধরবে না। শাফাআত প্রত্যেক মুসলমানেরই হবে—পার্থক্য কেবল আগে-পরের।
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।