তওবা ও ইসতিগফারের মধ্যে পার্থক্য
প্রশ্ন
তওবা ও ইসতিগফারের মধ্যে পার্থক্য কী? যদি ব্যভিচারী পুরুষ ও ব্যভিচারিণী নারী কেবল তওবা ও ইসতিগফার করে, তবে কি তাদের সঙ্গে সব ধরনের সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন, সালাম বিনিময় ও সদাচরণ করা উচিত, নাকি শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিন্ন (তারকুল মুওয়ালাত) করা উচিত?
উত্তর
তওবায় অতীতের জন্য অনুতাপের সঙ্গে ভবিষ্যতে বিরত থাকার দিকটি প্রবল, আর ইসতিগফারে অপরাধের ক্ষমা [প্রার্থনার] দিকটি প্রবল। যদি তওবা ও ইসতিগফারের মাধ্যমে সংশোধনের লক্ষণ প্রকাশ পায়, তবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিন্ন করা উচিত নয়। হ্যাঁ, সম্পর্ক ছিন্ন করা যদি সংশোধনের উপায় হতে পারে, তবে সম্পর্ক ছিন্ন করা ঠিক।
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।