অভিযুক্ত ব্যক্তির ইমামতি
প্রশ্ন
(1) একজন ইমাম পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ান, দ্বীনী মাদরাসায় শিশুদের শিক্ষা দেন, মানুষকে ভালো কথা বলেন এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করেন। অন্য একজন ইমাম তাঁর বিরুদ্ধে একটি অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলের সঙ্গে সমকামিতার অভিযোগ তোলেন। মসজিদের ইমাম আল্লাহর কসম করে বলেন যে, তিনি কোনো কুকর্ম করেননি। এখন কি সেই ছেলের কথা বিশ্বাস করা উচিত, যে বলছে যে তিনি তার সঙ্গে তিন-চারবার অশালীন আচরণ করেছেন, নাকি ইমামের কসম গ্রহণযোগ্য ধরা উচিত? আর এমন ইমামের পেছনে নামায পড়ার বিধান কী? (2)
উত্তর
শুধু সেই অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলের বক্তব্যের ভিত্তিতে ইমাম সাহেবকে অপরাধী সাব্যস্ত করে শরীয়তের শাস্তির উপযুক্ত গণ্য করা হবে না। ইমাম সাহেবের কথা কসমসহ গ্রহণযোগ্য হবে। শরঈ প্রমাণ ছাড়া কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা কবীরা গুনাহ। ইমাম সাহেবেরও সতর্ক থাকা উচিত, যাতে কেউ কুধারণার সুযোগ না পায়। অভিযোগ আনা, ফরয নামায ত্যাগ করা এবং মিথ্যা কসম খাওয়া—এই তিনটিই কঠিন গুনাহ। যদি বাস্তবেই এই…
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।