অপহরণকারীর শাস্তি — নিজ গোষ্ঠীর (বংশ বা পেশাভিত্তিক সমাজের) পক্ষ থেকে সম্পর্কচ্ছেদ
প্রশ্ন
শুকরুল্লাহর স্ত্রীকে মুমতায আলী দর্জি ভাগিয়ে নিয়ে গেল। কিছুদিন এদিক-ওদিক পালিয়ে বেড়াল; এরা যখন বাড়ি ফিরে এল, তখন শুকরুল্লাহ স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দিল। ইদ্দতের পর মুমতায আলী সেই নারীর সঙ্গে নিজের নিকাহ পড়িয়ে নিল। এখন তাঁতিদের মোড়ল গ্রামের সব মুসলমানকে নিষেধ করে দিয়েছেন, যেন কেউ কোনো দর্জির সঙ্গে কথাবার্তা না বলে; এমনকি সালাম-দু‘আও বন্ধ করিয়ে দিয়েছেন। সঠিক পথে কে আছে, আর আমি কার সঙ্গে থাকব?
উত্তর
অন্যের স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং নারীর পরপুরুষের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়া বিবেক ও প্রচলিত রীতির বিচারে অত্যন্ত নিন্দনীয়, আর শরীয়তের বিচারে কঠিন গুনাহ ও নাফরমানি। শুকরুল্লাহ তাকে তালাক দিয়ে ভালো কাজ করেছে। ইদ্দতের পর দর্জি মুমতায আলী তার সঙ্গে নিকাহ করেছে — তাই সেই নিকাহ জায়েয হয়ে গেছে। এখন তাঁতিদের মোড়লের এই হুকুম যে কেউ দর্জিদের সঙ্গে কথাবার্তা বলবে না — তা ভুল; সব…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।