গ্রামে ঈদের নামায
প্রশ্ন
গ্রামে দুই ঈদের নামায পড়তে নিষেধ করার হুকুম কী? নিঃসন্দেহে গ্রামে ঈদের নামায পড়লে তা আদায় হয় না, কিন্তু গ্রামবাসীর ওপর তা ওয়াজিবও নয়। যা ওয়াজিব নয় তা আদায় করায় ক্ষতি কী? বরং এটি তাবলীগ ও প্রচার-প্রসারের একটি মাধ্যম। তাই নফল আদায় করায় যে ক্ষতি আছে তা ব্যাখ্যা করুন। যদি কেবল এটাই কারণ হয় যে দিনের বেলায় নফলের জামাআত জায়েয নয়, তাহলে তার তুলনায় অন্তত তাবলীগ ও প্রচার-প্রসার তো একটি উৎকৃষ্ট কাজ?
উত্তর
এতে বিভিন্ন ও বহু ফাসাদ (ক্ষতিকর পরিণতি) রয়েছে। সাধারণ মানুষ একে ওয়াজিব মনে করবে; আর যা ওয়াজিব নয়, বরং নাজায়েয, তাকে ওয়াজিব মনে করা এক মহা ফাসাদ। যা মানদূব ও মুস্তাহাব তাতে পীড়াপীড়ি করা মাকরূহ: [ar]الإصرار على المندوب يبلغه إلى حد الكراهة[/ar] “মানদূব কাজে পীড়াপীড়ি তাকে মাকরূহের পর্যায়ে পৌঁছে দেয়” (“আস-সিআয়া”)। যা মুবাহ, তা আবশ্যক করে নেওয়ার (ইলতিযাম)
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।