ঈসালে সওয়াবের বিরুদ্ধে প্রদত্ত যুক্তি
প্রশ্ন
(1) ইসলাম ধর্ম ঈসালে সওয়াবকে জায়েয রেখেছে কি, না? যদি জায়েয হয়, আর কেউ একটি সূরা পাঠ করে বহু মৃতকে বখশে দেয়, তবে সেই সূরার সওয়াব কি সব মৃত সমানভাবে একটি পূর্ণ সূরার সওয়াব পাবে, নাকি অংশ অনুপাতে? (2) এক ব্যক্তি ঈসালে সওয়াবকে বিদআত বলে এবং যুক্তি হিসেবে নিচের হাদীস ও আয়াতগুলো পেশ করে। এটি কি সঠিক? (1) রাসূলুল্লাহ ﷺ কখনো কাউকে একটি আয়াতেরও সওয়াব বখশে দেননি। (2) কোনো সাহাবী কখনো একটি আয়াত পড়েও কাউকে তার সওয়াব বখশে দেননি। (3) কোনো নবীও কখনো একটি আয়াত পড়ে কাউকে তার সওয়াব বখশে দেননি। (4)
উত্তর
(1) [ar]إن الإنسان له أن يجعل ثواب عمله لغيره صلاة أو صومًا أو صدقة أو غيرها عند أهل السنة والجماعة[/ar] “আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের মতে মানুষ তার আমলের সওয়াব অন্যকে দান করতে পারে—নামায হোক, রোযা হোক, সদকা হোক বা অন্য কিছু” (‘আল-হিদায়া’, খণ্ড 1, পৃ. 276)
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।