হাযিরাতের আমল সম্পর্কে বিস্তারিত
প্রশ্ন
প্রশ্ন: (1) হাযিরাত (জিন-আত্মা হাজির করানোর অনুষ্ঠান) কী জিনিস? হাযিরাত কাকে বলে? আর হাযিরাত কত প্রকার? (2) হাযিরাতে কী লাভ ও কী ক্ষতি? শরীয়তে এর কোনো ভিত্তি আছে কি? (3) হাযিরাতের মাধ্যমে চিকিৎসা করানো এবং জীবিত ও মৃতদের রূহের সঙ্গে কথাবার্তা বলা ও বলানোর বিধান কী? (4) হাযিরাতের মাধ্যমে লোকেরা শিশুদের দেখিয়ে বক্তব্য দেওয়ায় এবং তাবিজ লেখায়—এটা কতটা সঠিক? (5) হাযিরাতে যারা আসে তারা নিজেদের ফেরেশতা বলে পরিচয় দেয়—তারা কি সত্য বলে, নাকি তারা জিন যারা প্রতারণা করে, জিন হয়েও নিজেদের ফেরেশতা বলে?
উত্তর
রূহের পাঁচটি গুণ আছে: আকিলা (বুদ্ধিবৃত্তি), গযবানিয়া (ক্রোধবৃত্তি), শাহওয়ানিয়া (কামনাবৃত্তি), খায়ালিয়া (কল্পনাবৃত্তি) এবং ওয়াহিমা (সংশয়বৃত্তি)। যে রূহে আকিলা প্রবল এবং বাকি গুণগুলো এতটাই পরাভূত ও দুর্বল যে তাদের প্রকাশই ঘটে না, এমন রূহকে রূহে মালাকী (ফেরেশতাসুলভ রূহ) বলা হয়। যাতে গযবানিয়া প্রবল সেটি হিংস্র পশুসুলভ (হাইওয়ানিয়া সাবইয়্যা)
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।