কাদিয়ানীদের তৈরি “ইয়াসসারনাল কুরআন” কায়দা ব্যবহারের পরিণতি
প্রশ্ন
কাদিয়ানীদের তৈরি “ইয়াসসারনাল কুরআন” কায়দায় কাদিয়ানী মতবাদের এমন কোনো আকীদা নেই, যা আকীদার বিকৃতি বা শরীয়তসম্মত আমলের বিকৃতি ঘটায়; বরং এর গঠন, বিন্যাস এবং শিক্ষাদান-পদ্ধতি সংক্রান্ত নির্দেশনা এমন যে, শিশু সহজেই পাঁচ-ছয় মাসে, এমনকি তার চেয়ে কম সময়েও নাযেরা (দেখে দেখে কুরআন পড়া) সমাপ্ত করে ফেলে। তাই জানতে চাওয়ার বিষয় হলো: এই কায়দা পড়া কি জায়েয? আর কাফেরদের তৈরি কোনো জিনিসকে তার পূর্ণতা, কোনো গুণ বা উৎকর্ষের কারণে উৎকৃষ্ট ও ভালো বলা কি জায়েয, নাকি নয়?
উত্তর
আমেরিকান লণ্ঠন এবং “ইয়াসসারনাল কুরআন” কায়দার মধ্যে অনেক পার্থক্য। প্রথমটি নিছক পার্থিব জিনিস, আর দ্বিতীয়টি কুরআনের শিক্ষা ও দ্বীনিয়াতের সূচনা ও প্রবর্তন। প্রথমটির প্রশংসায় কাফেরদের দ্বীনের প্রশংসা হয় না, কিন্তু দ্বিতীয়টির প্রশংসা অন্তরে এই ধারণা বসিয়ে দেয় যে, যারা শিশুদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের জন্য এমন চমৎকার ব্যবস্থা করেছে, যার মাধ্যমে শিশু অতি দ্রুত সাবলীলভাবে নাযেরা…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।